এমন যদি হত!

এমন যদি হত!

ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্যমে বসে আছেন, নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌছানোর কোন সম্ভাবনা নেই। নিজস্ব যানবাহন নিয়ে বের হওয়াটাও বিরম্বনা, সমাধান হতে পারে সাইকেল, মাথার উপর দিয়ে সাই সাই করে চলে যাচ্ছে সাইকেল !, এখানে কোন যানজট নেই !! নেই কোন ট্রাফিক সিগনাল, দুর্ঘটনা বা মুখোমুখি সংঘর্ষের সম্ভাবনাও নেই, যে যার গন্তব্যে চলে যেতে পারছে নির্বিঘ্নে। এও কি সম্ভব ? এমনটাই দেখিয়েছেন বুয়েটের সদ্য গ্রাজুয়েট রাম সাহা।

ঢাকায় এলিভেটেড সাইকেল র্ট্যাক এর ধারনা নিয়ে এসেছেন তিনি, তার ফাইনাল ইয়ার থেসিস প্রোজেক্ট ছিল ঢাকা এর ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা নিয়ে। সাইকেল ও ওয়াকিং এর সাথে কিভাবে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট কিভাবে যুক্ত করা যায় এটি ছিল তার থেসিস এর অংশ। বুয়েট এর আর্কিটেকচার ডিপার্টমেন্ট এর হেড , প্রোফেসার খন্দকার সাব্বির আহমেদ স্যারের তত্ত্বাবধায়নে ও নিবিড় পর্যবেক্ষণে সম্পন্ন হয় এই থিসিস।   তাসারা পাব্লিক ট্রান্সপোর্ট গুলি কিভাবে একে অন্যের সাথে যুক্ত করা যায় সেটিও দেখিয়েছেন। জনসংখা, অপ্রিকল্পিত নগরায়ন তইরি করছে নানা সমস্যা

২০৩৫ সালকে সামনে রেখে করা হয়েছে ঢাকা এর মাস্টারপ্লান বা গ্রেটার ঢাকা নতুন মাস্টার প্লান ও পরিকল্পিত উন্ননের মাধমে নতুন শহর তৈরির মাধমে ঢাকাকে বাসযোগ্য করা সম্ভব। অন্যান্য দেশের মত পুরান শহরের পাশে নতুন শহর তৈরি করে এবং উন্নত নাগরিক সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে সমাধান তৈরি করা সম্ভব। দিল্লি এর পাশে নতুন দিল্লি, চেন্নাই -নতুন চেন্নাই,  কলকাতা – নতুন কলকাতা নতুন মাস্টারপ্লান এ গ্রেটার ঢাকা এর কেন্দ্র হচ্ছে বিমানবন্দর পূর্বাঞ্চল, আশুলিয়া, ডেমরা হয়ে গাজিপুর পর্যন্ত এর বিস্রিতি উত্তরা কে বলা যেতে পারে নতুন ঢাকা এর শুরু, পরিকল্পিত ভাবে তৈরি এই এলাকা নিয়ে প্রজেক্ট এর শুরু হলেও এটি চলে যাবে নতুন ঢাকা এর অন্যান্য এলাকা গুলোতে প্রজেক্ট এর আইডিয়া গুলো পুরবাচাওল এ প্রয়োগ করা যেতে পারে

শহরের রাস্তায় নেই সাইকেল চালানর মত পতিবেশ, অবিভাবকরা ভাবতেই পারেন না ব্যাস্ত রাস্তায় তার সন্তান কে সাইকেলে চালাতে, তারপর ও সাইকেল এর প্রতি তরুন প্রজপ্নমের আগ্রহ দিন দিন বারছেই, গরে উথসে বিভিন্ন ধরনের সাইকেলিং এর গ্রুপ, এ বেপারে বিডি সাইক্লিস্ট গ্রুপের এডমিন, সাদ্দাম বললেন, এ ধরনের ট্রাক সাইকেলিস্ট দের জন্য খুব ই দরকারি, নিরাপদে কম সময়ে গন্তব্যে পউছানো যাবে।

এ্যালিভেটেড ট্যাক কতটা কার্জকরি হবে, ঢাকার জন্য কি এটি উপযুক্ত হবে?

এমন ক্ষেত্রে সমাধান দেখিয়েছন রাম সাহা কাজ করা হয়েছে উত্ত নিয়ে, উত্তরার উপর এই মডেল টি কাজ করতে পারে, কারন উত্তরা অনেকটাই পরিকল্পিত ভাবে তইরী, ভবিষ্যতে এই মডেলটি নতুন যে শহরের অংশগুলো আসছে, যেমন পুরবাচল, আশুলিয়া, সেখানে পুর্ব পরিকল্পিত ভাবে প্রয়োগ করা যাবে, এই সাইকেল ট্যাক এর ফুটপ্রিন্ট বা আচ্ছাদিত স্থান মাত্র প্রশস্থে ১০ ফুট, চলতে পারবে ৩টি সাইকেল পাশাপাশি যা একটি ফ্লাইওভার এর ফুটপ্রিন্ট এর অনেক কম ১০ ফিট জায়গা টিও বিভিন্ন কাজে ব্যাবহার করা যাবে, সেখানে হবে হকারদের বসার স্থান, সাইকেল রাখার যায়গা, পথখাবারের দোকান যা পথচারিদের স্বাভাবিক চলাফেরাকে বাধাগ্রস্ত না করেই চলবে ফুটপ্রিন্ট কম রাখা ও দুর্ঘটনা না হউয়ার জন্য উপরে ও নিচে ২ টি ট্যাকের মাধ্যমে সাইকেল চলবে ২০০ মিটার পরপর থাকবে সাইকেল উঠান ও নামানোর যায়গা, প্রতি নোডে থাকবে চক্রাকার ঘুর্নন পথ, যেটি ব্যাবহার করে ডানে, বামে দিক পরিবরতন করা যাবে কোন বিরতি ছাড়া।

এমন যদি হত মাথার উপর দিয়ে সাই সাই করে ছুটে যাচ্ছে সাইকেল , ধাকায় সাইকেল চালান এমনিতেই বিপদজনক, আলাদা এলিভেটেড সাইকেল র্ট্যাক এর মাধ্যমে এর সুন্দও সমাধান দেয়া সম্ভব, প্রোজেক্ট এর সাইট হিসাবে নেয়া হয়েছে উত্তারা এলেকাটাকে , বাংলাদেশ সরকার ইতমদ্ধে উন্নত দেশের মত বাস র‌্যপিড ট্রান্সিট বা বিয়ারটি সিস্টেম বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে গাজীপুর থেকে এয়ারপোর্ট হয়ে সায়েদাবাদ পর্যন্ত। উত্তরা হাউস বিল্ডিং।

আধুনিক যোগাযোগ ব্যাবস্থার সাথে সংযোগ

ভবিষ্যতে আমাদের দেশের ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম কেমন হবে? উন্নত দেশের মত আমাদের দেশে আসছে মেট্রো রেল, বাস র্যাপিড ট্রান্সিট বা বি আর টি , ইতোমধ্যে এগুলোর কাজও শুরু হয়ে গেছে।

বি আর টি বা বাস র‍্যাপিড ট্রানন্সিট এর সাথে সংযোগ

প্রাথমিক ভাবে উত্তরা রেলস্তেশন থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বাস র্যাপিড ট্রান্সিট বা বি আর টি, এটি সম্পুর্ন নতুন ধারনা বাংলাদেশ । পাশের দেশের আহমেদাবাদ শহরে কারযকর আছে এটি, সেখানে বেশ ভাল সুফল পাওয়া গেছে। উত্তরা অংশে হউস বিল্ডিং, আজমপুর ও জসিমুদ্দিন মোড়ে বসছে ৩ টি স্টেশন।

এই ৩টি স্টেশনের সাথে সংযুক্ত করে প্রজেক্তে প্রস্তাব করা হচ্ছে ৩টি সাইকেল স্টেশন, যার মাদ্যমে কেউ সাইকেল এ চড়ে এসে বাস ধরতে পারবে, একই ভাবে বাস থেকে নেমে, স্টেশন থেকে সাইকেল নিয়ে তার বাসা বা গন্তব্যে যেতে পারবে । থাকবে আন্ডারগ্রাউন্ড পাসিং ও আন্ডারগ্রাউন্ড টিকেট কাউন্টার, উত্তরা মাস্কট প্লাজায় প্রতিদিন যাওয়া আসা করে হাজার হাজার মানুষ , তারা সরাসরি বেসমেন্ট থেকে বি আর টি এবং সাইকেল স্টেশনে যেতে পারবে। এছারা প্রতিটি নোডের কমার্শিয়াল বিল্ডিং থেকে আন্ডারগ্রাউন্ড কানেকশন এর মাধমে সরাসরি এই স্টেশন গুলিতে আসা যাওয়ার প্রস্তাব দেখান হয়েছে। তাতে কমবে দুর্ভগ ও যানজট । ফুট ওভার ব্রিজ এর জায়গায় বি আর টি এর আন্ডারপাস গুলো রাস্তা পারাপারের কাজে ব্যবহ্রত হবে।

সাইকেল ট্যাঁকটি আজমপুর হয়ে চলে আসবে বিমানবন্দর রেলস্টেশনের দিকে, যেখানে  করা যেতে পারে অত্যাধুনিক বিশ্বমানের মাল্টি মোডাল হাব। কি কি থাকছে এই হাব এ?

এমআরটি-১ এর লাইন যাচ্ছে এখান দিয়ে, যেটি গাজীপুর থেকে সায়েদাবাদ পর্যন্ত, বিআরটি এর টার্মিনাল, বর্তমান রেল লাইনের আধুনিকায়ন করা হবে,  রেল মাইলের উপর দিয়ে যাচ্ছে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেস। বিমানবন্দর থেকে থাকবে সাবওয়ে কানেকশন। অত্যান্ত গুরুত্তপুর্ন এই পয়েন্টিকে আধুনিক মাল্টি মোডাল হাবে পরিনত করার মাধ্যমে সামগ্রিক পাব্লিক ট্রান্সপোর্টের উন্নয়ন এই প্রোজেক্ট এর অংশ। পাশাপাশি এইসব পাব্লিক ট্রান্সপোর্ট এর সাথে সরাসরি সংযোগ থাকেব সাইকেল এবং হাটার।

ধরুন আপনার কোন আত্মীয় আসছেন বগুরা থেকে, তিনি রেল ষ্টেশন এ নেমে মেট্রো ধরতে পারবেন,  একিভাবে আপনি মেট্রো থেকে নেমে অন্যান্য ট্রান্সপোর্ট সুধিধা গ্রহন করতে পারবেন।

কেউ চাইলে বিমানবন্দর রেলস্টেশন থেকে নেমে মেট্রো ধরতে পারবেন, একই ভাবে মেট্রো থেকে নেমে রেল, বাস ধরা যাবে। সাইকেল এর সাথে রয়েছে প্রতেক টি ট্রান্সপোর্ট সংযুক্ত, রয়েছে পাবলিক সাইকেল ব্যাবহার এর সুবিধা, উন্নত দেশের মত কার্ড ব্যাবহার এর মাধ্যমে বাতসরিক ফি দিয়ে পাব্লিক সাইকেল হাইয়ার করা যাবে। বিমান বন্দর এর পাশেই রয়েছে হজ্জ ক্যাম্প, হজ্জ ক্যাম্প এর সাথে আন্ডারগ্রাউন্ড কানেকশন থাকবে মালটি মোডাল হাব এর ছোট পরিবহন কার্ট বা বাগি এর মাধমে হাজিরা চলা ফেরা করতে পারবেন,থাকবে মুভেবল ওয়াকওয়ে।

বিমানবন্দর থেকে সাবওয়ে কানেকশন থাকবে টারমিনালে, বিমানবন্দর গামি বা আগত যাত্রীরা তাদের পছন্দের পরিবহন ব্যাবহার করে যেকোন গন্তব্যে যেতে পারবেন। কমবে বিমানবন্দরগামী যাত্রীদের দূর্ভোগ।


3 Replies to “এমন যদি হত!”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *